Sunday, 9 December 2018

স্বপ্নের সন্ধ্যা

স্বপ্নের সন্ধ্যা 

                          ---কিয়ৎ কিঙ্কর


সন্ধ্যার কুয়াসা,, কালো রুপ-ধারী।।
তার মাঝে তোমার দেখা ওগো স্বপ্ন-চারী।।  

রুপে যেন অপরুপ এ সন্ধ্যা,,, 
কাগজফুলও যেন আজ রজনীগন্ধা।।  

সব আলো যেন,,তোমার কাছে বন্দী,,  
পূর্ণিমা চাঁদ যেন তোমার প্রতিদ্বন্দী।।।  

ফেলফেলিয়ে তাকায় আর হয় শ্বাস-দ্বন্দ্ব,, 
তোমার আলতো চাহনিতে, হারায় আমি ছন্দ।।  

নিশ্চুপ আধারে ধুকপুকানি শব্দ,, 
মুচকি হাসিতেই,,সব কথা জব্দ।।  

নীরব-রূপে দেখে যায় তোমায়,,, 
বোবা হব,,শুধু পাশে রেখো আমায়।।।

Thursday, 25 October 2018

তুই বন্ধু আমার

তুই বন্ধু আমার

                        ...............কিয়ৎ কিঙ্কর


তুই বন্ধু আমার, ভালো -মন্দের সাথি;
তুই বন্ধু আমার, আধাঁর নিভানো বাতি;

তুই বন্ধু আমার, সুখে দুঃখে পাশে থাকতি;
তুই বন্ধু আমার,  অসুখ- বিসুখে খোঁজ রাখতি;

তুই বন্ধু আমার, গুপ্ত কথার সিন্দুক ;
তুই বন্ধু আমার, কারন ছাড়াই নিন্দুকের নিন্দুক;

তুই বন্ধু আমার, যন্ত্রটা খুব বুঝতি ;
তুই বন্ধু আমার,  লুকাই লুকাই হাসির কারণ খুঁজতি;

তুই বন্ধু আমার,  বাদরামি আর পিনিকবাজির সাক্ষী;
তুই বন্ধু আমার,  অশান্ত সময়ের শান্তি-রক্ষী;

তুই বন্ধু আমার, ঝগড়ার আধার কথায় কথায় রাগ ;
তুই বন্ধু আমার,  শান্ত পায়রা কখনও কখনও বাঘ;

তুই বন্ধু আমার,  ব্যাপক রাগেও টপাক করা হাসি ;
তুই বন্ধু আমার,  সদা কল্যাণ প্রত্যাশি।

তুই বন্ধু আমার,  চুপ থাকার কারণটা খুজে নিতি;
তুই বন্ধু আমার,  চুপিসারে সেরা সমাধানটাই দিতি;

তুই বন্ধু আমার,  বাচ্চামিগুলো হাসিমুখে সইতি;
তুই বন্ধু আমার,  ভুলভালগুলো সময়বুঝে কইতি;

তুই বন্ধু আমার,  বিশ্বাস আর সন্মানের সেরা মিশ্রণ;
তুই বন্ধু আমার,  খাম-খেয়ালির সব কোণ;

তুই বন্ধু আমার,  নিজ খুশিতে কান্নার ভাগিদার ;
তুই বন্ধু আমার, নিজ দুঃখেও হাসির দাবিদার ;

তুই বন্ধু আমার,  অবর্ণনীয় কেমনে বর্ণনা করি ; 
তুই বন্ধু আমার,  ভোরের পদ্ম ছাগমুখী অপ্সরী;

তুই বন্ধু আমার,  প্রাণ্তি কালের আলো;
তুই বন্ধু আমার,  স্বীকার করিনি সত্যিই তুই ভালো। 

তুই তো তুই-ই ; বন্ধু আমার।।

Thursday, 26 July 2018

প্রিয়া ও প্রয়াত-আকাঙ্খা

প্রিয়া ও প্রয়াত-আকাঙ্খা
                               -----------কিয়ৎ কিঙ্কর
প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসি তারে,,
হারায়েছি যারে,,
আখি মোর ছলোছলো,সদা ঘুম ঘোরে,,
স্মরিতে তাহারে।।

স্বজন জিঙ্গাসে,,ভাবো তুমি কারে ?
নিশ্চুপ-নিরবতা আমাতে দীর্ঘ-শ্বাস ছাড়ে,,
আমি সদা-ভাবি তারে,,
হারায়েছি যারে,,

আহারে,,শ্যামা মেয়ে কি রূপে বাধিলা মোরে,
সদা তোমারেই পাই, স্বপ্ন পরে।
হারায়েছিলাম তারে,
লাল দুর্গের বালুচরে,,

প্রাণ আজ প্রাণহীন তুমি হাহাকারে,
নিয়া যাও মোরে,,
যাবো চিরতরে,
মিলবো স্বর্গ পরে।

এ জগৎ বোঝে না মোরে,
বাচিতে জোর করে,
ওরা বোঝেনা, ওরে,,
মরন-ই কেবল পারে পৌছাইতে আমারে তোমার তরে।

আমি খুজিতেছি তারে,
দাড়ায়ে মৃত্যু-দ্বারে,,
হারায়েছি যারে,,
লাল দুর্গের বালুচরে।।

সংক্ষিপ্ত-জীবন-সার

সংক্ষিপ্ত-জীবন-সার
                                          ---কিয়ৎ কিঙ্কর

শব্দ তিরষ্কার,
নিঃশ্বাস পুরষ্কার,
চিনতাই পরোপার,
অর্থহীন উপকার,
জীবন-পরদা পরিষ্কার,
শূণ্যতাই অধিকার।

স্বপ্নের নির্যাস,
কল্পনাতে বাস,
কথিত সুবাস,
আলোকের আভাস,
আশার প্রকাশ,
ক্ষনিকেই হতাশ।।

সবই মরিচিকে,
স্বপ্নগুলো ফিকে,,
বিশ্বাসে বিশ্বাসঘাতক,
আশাগুলো পলাতক।।

তবুও,,আবার,,স্বপ্ন-গড়ি,
থাকা হগাশারে ভিত করি,
আশাগুলোরে আকড়াই ধরি,
করি আমি...জীবন জালে জড়াজরি।।।

তোমায় নিয়ে লিখা

তোমায় নিয়ে লিখ
                                   --------কিয়ৎ কিঙ্কর

কবিতায় তোমায় আঁকব।।
উপমাই সাজাবো।।
সদা একসাথে থাকব।।
প্রেম সুর বাজাবো।।

তুমি স্পষ্ট হও,,
চোখ দুটো বুজলে।।
সর্বদা কল্পনাতে রও,,
নিজেকে খুঁজলে।।।।

তোমার সাথে বলি কথা,,
তোমার আড়ালে।।।।
একি প্রেম প্রথা???
কেন মায়া বাড়ালে।।।

দেখি তোমায় শতবার,,
তোমার অদেখায়।।।।
তোমাতে অস্বীকার,,,
কল্পনা প্রেম শেখায়।।।।

রাখি তোমার খোঁজ,,,
তোমার অজান্তে।।।।
দেখি তোমায় রোজ,,,
স্বপ্ন-ময় মন্ত্রে।।।

তোমায় নিয়ে সব ভাবনা,,,
কল্পনাতে আছে।।।
তোমায় ছেড়ে কোথাও যাব না,,
শপথ মনের মাঝে।।।।


তোমায় ভেবে রাতরি পার,,
শতেক স্বপ্ন দেখা।।।
বাস্তবে তোমাতে মিলে আধার,,,
তাই আবেগে,,তোমায় নিয়ে লিখা।।

মোমের পুতুল

মোমের পুতুল
                          --------কিয়ৎ কিঙ্কর

....অ-পলক দৃষ্টি।।।।
...ধেউ খেলানো চুল।।
...কি অপরূপ সৃষ্টি।।।
......যেন মোমের পুতুল।।

...মোম রঙ অঙ্গ।।।
..রক্ত লাল ঠোঁট।।
...দিতে চাই সঙ্গ।।
...ইচ্ছেরা বাধে জোট।।

.ভ্রু-যুগোল মাঝে তিল।।।
..যেন,,প্রাকৃতিক টিপ।।।
..চোখের মাঝে নীল।।।
..যেন,,সাগর-ঘেরা দ্বিপ।।।

...অপরুপা,,,রুপসী।।।
...রূপ অঙ্গ-ভরি।।।
...সপ্নের প্রেয়সিরে,,,,
....কি করে বর্ণনা করি।।
   
                                      ..যেন,,স্বর্গের অপ্সরী।।।

..ভালোবেসে তারে।।।
..দিয়াছিলাম ফুল।।।।
...মুচকি হাসিতে।।।
...করেনি কবুল।।।

...ওই-টুকুই প্রাপ্তি।।।।। 
..কল্পনাই অনুকূল।।।
..নিরবাক অপ্সরীটার নাম দিয়েছি তাই.....
...মোমের পুতুল।।।।।

সৃতিকে-চারণ

সৃতিকে-চারণ
                     ---------কিয়ৎ কিঙ্কর

করিম ভবন,,
তোমাই শ্রবন,,
অপ্সরী দেখা সকাল।।।।
প্রাক্কালে নিশ্চুপ,,
শৃঙ্খলার প্রতিরূপ,,
ভর্তিযুদ্ধ বহাল।।

পরীক্ষা শেষ,,
তুমি নিরুদ্দেশ,,
কাটে দর্শন প্রয়াশ দুপুর।।
অল্পের দেখা,,
সৃতিকে গেঁথে রাখা,,
খয়েরি বোরখার পরে রূপার নূপুর।।।

যাত্রা পথে,,
স্বপ্ন রথে,,
ক্লান্তিহীন বিচরনের রাত।।
জোড়া ভ্রু-যুগল,,
আমি তুমি-পাগল,,
ইচ্ছায়, না আসুক প্রভাত।।

কিছুদিন পর ফিরে আসা,,
উদ্দেশ্য ভর্তি।।
তখনও তুমিময় মরীচিকা,,
স্বপ্নগুলো অগ্রবর্তী।।।

বাধনের ভূমিকায়,,
তোমার হাত দেখা।।
দৃষ্টির সীমানায়,,
মেহেদীর লাল রেখা।।

মনে ভয়,,যদি হয় ঔ-টা,,
প্রেম গাছে তুইলা,,টানবা কি মই-টা??

শেষ আশ্রয় ফেসবুক।।
খুঁজছি তোমার মুখ।।
অল্পেই পাওয়ার সুখ।।
তবুও, ধড়ফড় করে বুক।।

খুসিতে আমি বন্য,,
তোমার প্রফাইল দেখে।।
ভাবি ভাগ্য প্রসন্ন,,
তাই,তা দর্শন থেকে থেকে।।

২-তারিখ, বিকেল বেলা,,
দেখি অনুষদ কৃষি।।
মনেতে মোর খুসির মেলা,,
সপ্নেতে আবার ভাসি।।

অতপর,,
করিম ভবন,,
তোমায় শ্রবন,,
ফের অপ্সরী দেখা।।।
শতেক কল্পনা,,
রোজ আকিঁ ভালোবাসার আল্পনা।।
তোমার ভাবনা অজানা,,আজকেও ভেবেছি একা একা।।

তারপর,,,
সামনের দিনের প্রতিঙ্খা।।।।।।

ভালোবাসার-৭১......

ভালোবাসার-৭১......
                               ----------কিয়ৎ কিঙ্কর
উত্তাল পদ্মা,,
ঘোলাটে জল।।
হোসেনের লাল জামা,,
এলোমেলো শতদল।।

হোসেনের সেদিন,,
মনে শত রং ভাসে,,
প্রথম চারণ আজকে তার,,
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে।।

বাবার কাছে আবদার:কালো প্যান্ট সাদা জামা,,
বাবা, ছুটে নিয়ে আসে।।
মা,পায়েস রাঁধে ঘন দুধে,,
হোসেন পেটপুরে খায় বসে মায়ের পাসে।।
মা,,মুচকি হাসে।।
টিনের বাটিতে সবটুকু ভরে দেয়, হোসেনের সাথে।।


বাবা মার দোয়া নিয়ে,,
চলে সে পথ ধরে,,
রাস্তায় যত গুণিজন পড়ে,,
পা ধরে সালাম করে।।

বলে,,
দোয়া করবেন,,
যাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয়,,
বানাইতে পরিচয়।।।


এভাবে,সে ফেরিঘাট অবদি আসে,,
নৌকার ঠিক মাঝখানটাই বসে।।
লোক হাহাকার,নৌকা ছাড়ে না মাঝি,,
হোসেন খোদারে দুষে, কয় এ কেমন কারসাজি।।


ছটফট মন,,হোসেন তখন,,এই সিদ্ধান্ত নেয়,,
ছাড়বে সে এ পাড়,
থাকবে না আর,
যাবে ঐ ধার।।

তাই, সে পুরো নৌকা ভাড়া করে,,
অতঃপর,চলে পদ্মা পরে।।
মাঝ পদ্মায় হোসেন,,
নৌকা চলছে,,তবুও বলে,মাঝি ভাই,চালাও তাড়াতাড়ি।।
ইতোমধ্যে সে শোনে,,
ঐ পাড়ের মানুষগুলো করছে আাহাজারি।।


তাকায় সে চারিদিক,,
পদ্মা উত্তাল,,
আকাশে পাখি উড়ছে দিক-বিদিক।।


হোসেনের কাটে স্বপ্নের ঘোর,,
চিন্তায় হয় সে বিভোর।।

তাকাই সে দিগন্তে,,
হঠাৎ!!বিকট শব্দ,,
দেখে ১টা সবুজ জাহাজ বোমা বর্ষন শুরু করে,,
হোসেনের মা-র কথা মনে পড়ে।।
মায়ের দেয়া পায়েসের বাটি রাখে শক্ত করে ধরে।।


সে দেখে,তার কিছুটা সামনে পাঁচটা নৌকায়,মুক্তিযোদ্ধা ভাই,,
অকাতরে প্রাণ হারায়।।

কিছু বুঝে ওঠার আগে,
১টি বোমা পড়ল এসে হোসেনের নৌকাতে।।

সব ছাড়খার,,
অন্ধকার চারিধার,,
হোসেন পালের উপর ভাসে।।
পায়েসে তার সারা মুখ গেছে মেখে,,
নিভু নিভু চোখে সে তাকাই,দ্যাখে,,
স্বপ্নগুলো তার অস্ত যাচ্ছে পশ্চিম-আকাশে।।।

বুঝল,,
আক্রমনে পাকিস্তানি,,
তিনটা নৌকা শেষ,আর ২টা বাকি,,
শেস নিঃশ্বাস ত্যাগের আগে,হোসেন উঠল ডাকি:(মা!!মাতৃভুমি।।)

দেখলাম,,
উত্তাল পদ্মা,,
ঘোলাটে জল।।
হোসেনের লাল জামা,,
এলোমেলো শতদল।।

অতঃপর,,
হোসেনসহ,আমার সাথীদের করলাম দাফন,,
তারা আজও জিন্দা,নয়কো মু্র্দা,,
আমি ঐ ২নৌকার ১ মুক্তিযোদ্ধা,,,
মাতৃভূমির বিজয় করছি উৎযাপন।।।।


শেষ করি,,
হোসেনের (মা,,মাতৃভূমির) আসঙ্কা কাটিয়ে।।।
"জয় বাঙালির,জয় বাঙলার" আজও স্লোগান দেই গলা ফাটিয়ে।।।।

(এখানে হোসেনের বিশ্ব-বিদ্যালয় যাওয়ার ঘটনাগুলো তখনকার মানুষের ওই-রুপ আবেগ-গুলার সাথে ঘটে যাওয়া নিরমমতার সাক্ষ্য-রূপে ব্যবহৃত হয়েছে...)

আজ আর আগে-পিছে ভাববো না এ বেলা

আজ আর আগে-পিছে ভাববো না এ বেলা
                ----কিয়ৎ কিঙ্কর

ভাবনার শতদল,,করি চল,,,,,খেলা।।
আজ আর আগে-পিছে ভাববো না এ বেলা।।।।


কল্পনায় ভবিষ্যৎ পরিমল,,,
ভেবেছি বাস্তবতায়ই মিলবে বল,,,
কিন্তু সময়ের ছল,,,
দু'চোখে রঙের মেলা,,,
আজ আর আগে-পিছে ভাববো না এ বেলা।।।।


স্বপ্নেরা ঝলমল,,
ভেবেছি সন্নিকটেই জীবনী-লব্ধ ফল,,
কিন্তু জীবন রথ নিশ্চল,,
পুসিয়ে নেব,,হলে হোক অবহেলা,,,
আজ আর আগে-পিছে ভাববো না এ বেলা।।।।


আশাগুলো আছে অবিকল,,
ভেবেছি অচিরেই আসবে সফলতার ধল,,
কিন্তু মরুভূমি,,আশাগুলো মরীচিকা হয়ে করে ছলছল।।
যাই হোক, সবকিছুর আগে তুমি, প্রয়তমা রুদ্রনীলা,,,
আজ আর আগে-পিছে ভাববো না এ বেলা।।।।


আজ আমি অবিচল,,
কিন্তু রুগ্ন আমার আশা আর স্বপ্নের দল,,,
আত্মগ্লানিতে বাষ্প হচ্ছে আকড়ে রাখা জীবন-জল।।।

কারন,,সেই আজ আজও আজ।।।।।।।।।

রূপান্তর

রূপান্তর😃 


                    ---কিয়ৎ কিঙ্কর

মনের অভিযোগ,,
পাই না সুযোগ,,
বলতে তোমায় ভালোবাসি।।।

প্রেমের উপযোগ,,
সবটুকুই বিয়োগ,,
তবুও বারে বার ছুটে আসি।।।
প্রত্যাখান,,
বার বার অপমান,,
হাসিমুখে নিয়েছি মেনে।।।।
প্রেম প্রতিদান,,
ভালোবাসার সম্মান,,
সবই দিয়েছি,,,, তুমি অন্যের হবেও জেনে।।।।
বার বার আঘাতে ক্ষত বিক্ষত এই মন,,
তোমার স্পর্শ প্রয়োজন।।
(then....rap...)
tumi asbana jani...
tumi dhonir-dulali mani.....
r..e...ami hoilam chasa...
tumi poro dactari....
but....dill chilo amar khasa..
tao,,maro sudhu jhari....
kou,,"nai gari,,nai bari,,khawyaba ki?? shudhu alu-potoler torkari"...
r...e...
valobasha blind,,
vule dorchi boro client...
kn..o...tumi bujho nah
laili-mojnu,,shirin-forhad agulare mano nah..
.maiya boroi seyanah,,
koi...vuila gechi jamanah...
Only...I want,,,,,, taka...
chai...amon polare,,
jar flat ache dhaka...
মাইয়া তোমায় এমন ভাবিনি।।
পইরা বুরখা,,তুমি করছ কাহিনী।।।
ফরহাদের মধ্যে পাইচো কি তুমি।।।
ঔ ভুটকারে শুনলাম করবানি স্বামী।।।
তোমার স্পর্শ-কাতর ছিলাম এই আমি।।।
চুপচাপ মাইয়া দেইখা ভাবছিলাম হবা খুব দামি।।
শুনলাম তুমি ৩বেলাই দিবালকে ফরহাদরে দেও হামি।।
সব শুইনা দেখছি,,তুমি পাক্কা হারামি।।।
সব ভালোবাসা হইছে তলানি।।

                   তুমি আমার কাছে এখন,,শুধু পানি গরম করার জ্বালানী।।।।।। ই।।।।।।

অধিকার

অধিকার

                ----কিয়ৎ কিঙ্কর
অধিকার হলো অপার সুখ।।
যার পূর্ণতা প্রয়োগে।।
অধিকার হলো অদ্ভুত অসুখ।।

যার কামনায় সকলে।।


অধিকার হলো অমাবস্যায় আলো।।
যা অতি স্পষ্ট।।
অধিকার হলো ডুমুরের ফুল।।
যার প্রাপ্তিতে,বেজায় কষ্ট।।

অধিকার হলো মধুর জ্যোৎস্না।।
যা আনে মনে শান্তি।।
অধিকার হলো মায়ের আঁচল।।
যা দূর করে ক্লান্তি।।


অধিকার হলো মোনালিসার হাসি।।
যা অতি কাঙ্ক্ষিত।।।
অধিকার হলো প্রান্তিক চাষি।।
যার সীমানা কিঞ্চিত।।


অধিকার হলো রাজ-সেনাপতি।।
যার কতৃত্ব নির্দিষ্ট।।
অধিকার হলো চীনের প্রাচীর।।
যার অঙ্গ মানব-সৃষ্ট।।।

অধিকার হলো সূর্য-রশ্মি।।
যা জন্মায় শক্তি।।
অধিকার হলো মুমিনের টুপি।।
যা আনে ভক্তি।।


অধিকার হলো মানব-জীবন।।
যা চিরকালের নয় যে।।।
অধিকার হলো যঙ্ক্ষের ধন।।
হারাবার ভয় হয় যে।।।।।।

সত্য-দাহ্

সত্য-দাহ্

                   ----কিয়ৎ কিঙ্কর
প্রখর সূর্য,তাও আধারে আমি
আলোকের খোঁজে ক্ষণে ক্ষণে থামি।
মোড়ে মোড়ে দেখি অন্যায় অত্যাচার

দেখি নাই আমি কিছু তাই করি প্রচার।।



মাথার উপর কালো মেঘের ছায়া।
সত্য-সন্ধান,বাড়ায় জানের মায়া।।
নির্ভীকে আসে ভূতুড়ে ভয়।
আধারটাই প্রিয় হয়ে রয়।।


বিবেকে মরীচা ধরে,,
শত শত পাপ দেখি দু'নয়ন পরে।
আখিঁ আড়ালে অশ্রু বিসর্জন করে।।


ভয় পশ্চাতে, সত্যের জন্ম হয়।।
বাক্স-বন্দী হয়ে সত্য করে জীবনী-সঞ্চয়।।
আলোর জন্য বার বার কেঁদে ওঠে।
আমি গর্জায়,বোঝায় আধারেই ফুল ফোটে।।


রুগ্ন সত্য গগন-পানে বার বার দেয় উঁকি।
শঙ্কিত মন মিথ্যাশ্রয়ে দেখায় প্রাণ-ঝুঁকি।।
বাধ্য সত্য,অবাধ্য হয়ে দুর্বলতায় ডুব দেয়।
ছায়া অপসারনের জন্য সত্য,সাহসে রূপ নেয়।।


মিথ্যার ভয় হয়,,
ভাবে,আলো আসবে কি নিয়ে সত্যের পরিচয়।।
তাই, বার বার মগজে ভয় হানে,,
আমি সত্যরে আটকায় সর্বোচ্চ শাসন-বানে।।


বায়ু-শূন্য হয় সত্য, 
ছটফট করে কাতরায়।।।
বড়ই একগুঁয়ে সত্য,
তখনও আলো হাতরায়।।।


আমি অন্ধ অভিনয় করি।।
মারি সত্যরে যেন, নিজে না মরি।।
মানবতা নিছক মূর্তি হয়ে রয়।।
আধার রাজ্যেই সত্যের জীবন অবসান হয়।।


অতঃপর, সত্য জ্বলে বিবেক কাষ্ঠের চিতা পরে।।
দুর্বলতার শ্রাদ্ধে সে হারায় চিরতরে।।।

এভাবেই,
নিয়মিত করছি সত্য-দাহ্
নিষ্পেশিত আজ,কারণ সত্য করে নিকো ক্ষমা।।।।।।

শিশু-লতা ও বুড়ো খুঁটি

শিশু-লতা ও বুড়ো খুঁটি

                       ----কিয়ৎ কিঙ্কর

শিশু-লতা, কয় কথা
মেলে পাখনা।।
যাব আমি ঐ দূর,
পাশে থাকোনা।।

বুড়ো খুঁটি, মাড়ি আঁটি
নিশ্চুপ রয়।।
"ও রসহীন বুড়ো
তুমি পাচ্ছো কি ভয়?

ঐ দূরে রশ্মি বাজার,,
সেখানেই বাকি জীবন উৎস।।
বাধায়েছ ব্যামো হাজার,,
তোমায় সারাতেই যাবো, বুচ্ছো ??

সেখানেই নাকি মুক্ত বাতাস
পুষ্ট হয় সবাই।।।।
সবাই নাকি সজীব হয়,
নতুন আলোর আভায়।।

চলো বাবা, চলো,, কোন না, শুনব না ।।
বুড়ো ভেজা চোখে কঠোর হয়, লুকোতে অপারগতা।।
"যেতে হলে যাও তুমি
থাকব আমি নিকট ভূমি।। "

"আচ্ছা তুমি থাকো,
এ জঙ্গলের অন্ধকার মাখো ।।

বুড়ো খুঁটি মনে মনে কয়,
"আমি যে অক্ষম, বৃদ্ধির সামর্থ নাই ।।
হোক তোর আলোক জয়।।
যা বাবা, তুই কর ঐ দূরে ঠাঁই।।"

শিশু-লতা করে ভর,
অন্য এক গাছে,,
পৌঁছায় অতঃপর,
আলোকের কাছে।।।।

করে আলোক সঞ্চয়,
না করে সময়ের অপচয়,,
শিশু-লতা, ভেঙ্গে প্রথা,
ভূ-পানে আসে,
জরাজীর্ণ মৃত-প্রায়,
বুড়ো খুটির পাশে।।।

কোন কথা না বলে,
জাপটে ধরে সে তারে,
বুড়ো কয়, করেছ ধন্য মোরে,
ভয় নাই আর জীবন হাহাকারে ।।

অকস্মাৎ, বুড়ো আলোক স্বাদ পাই।।
মৃতপ্রায় কাণ্ডে তার নতুন কুশি গজায়।।।
বুঝে সে, এ জীবনী শক্তি শিশুলতার
আলিঙ্গনে আছে চুপ, দৃষ্টান্ত হয়ে মানবতার।।।


[বি.দ্রঃ বুড়ো খুঁটিটি একটি অন্য গাছ, যা শিশুলতার Supporting
material-ই ছিল মূলত। কিন্তু, জন্মের পর থেকে শিশু-লতা তাকেই বাবা 
বলে জেনেছে আর বুড়ো খুঁটিও শিশু-লতাকে সন্তানের মতোনই ভালোবাসা
দিয়েছে আর আগলে রেখেছে।]

লক্ষ্য-চ্যুতির দর্শন

লক্ষ্য-চ্যুতির দর্শন

                                    ----কিয়ৎ কিঙ্কর

লক্ষ্যে সফলতা অর্জন,,উচ্চশিক্ষা প্রয়োজন
তাই, বিশ্ব-বিদ্যালয় ভর্তি।।
এই বুঝি শেষ প্রতিষ্ঠান,,

দিন শেষে করব জ্ঞানার্জনের বিদায় অনুষ্ঠান;
এই ভেবে মনে বেজায় ফুর্তি।।



কিন্তু বিশ্ব-বিদ্যালয়,,
সম্ভাবনার দুয়ার,,আমোদ প্রমোদে জোয়ার
খোলা দেখে ভেতরে দেই ছুট;
লক্ষ্য স্থির,,মন অস্থির
এগোচ্ছি তবু কমছে না পথ, কি অদ্ভুত!!


এক দুয়ারে ঢুকে, শতেক দুয়ার মুখে;
কাচের দুয়ার,,হরেক বাহার,,
দুয়ার পরে, রঙিন পথের দেশ।।
এ পথ,যেন বিদ্যা-রথ,,থামবে না??
কভু কি এর হবে না শেষ???


বিচিত্র জগৎ,,চলমান পথ,,
যেমন--নীল লালচে পরে কালোতে প্রবেশ।।
ক্ষণকাল,,কালো বহাল
অতঃপর ফের নীলের আবেস।।


বুঝলাম,,চিরন্তন এ পথ।
ক্লান্ত আমার শপথ।।।

বুঝি নি হায়,,অতিকায়,,ধরার এ প্রথাগত ছল।।
তাই,,পথের শুরুতেই হারিয়েছি বল।।।।😒

চেতনায়-৭১এর জয়

চেতনায়-৭১এর জয়

                    ----কিয়ৎ কিঙ্কর

৭১-এ প্রবেশ,
চেতনায় আবেশ,,
শত্রুর কবলে মোর দেশ।।

দীর্ঘ ৯মাাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ,
মুক্তিবাহিনী অপ্রতিরোদ্ধ।।

অবশেষ ডিসেম্বরে প্রবেশ,,
রক্তের যাকাতে আসে জয়ের ঈদ।
তারিখটা-১৬..শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ,,
জন্মনিলো,,৭কোটি জনতার ১চিরসবুজ উদ্ভিদ।।

সত্তের প্রশ্বাস,,
মিথ্যার নিঃশ্বাস,,
অদভুত সমাবেশ।।

বিজয়ের উৎসব,
জয়ের কলোরব,,
আনন্দে সারাদেশ।।

বাংলার জয়,বাঙালির জয়োন্তি,
স্বর্গীয় পরিবেশ।।

প্রেমোভিঙ্গতা

প্রেমোভিঙ্গতা

                          ---কিয়ৎ কিঙ্কর

হিজাবি ধরন,,
লুটায়েছো মন,,
করিয়াছো অজান্তে হরন,,

খুশিতে স্মরণ,,
করিয়াছি মৌনিক বরন,,,,,তোমারে।।।

খোদার কী অপরূপ গড়ন!!
বাস্তব উদাহরন,,,,, তুমি যে।।।

প্রস্তাবের কারন,,
ফেলিয়া চরণ,,,,,গেলাম।।।

ভালোবাসা ধারন,,
স্পষ্ট উচ্চারন(I LOVE YOU),,,,,করিলাম।।।

শাহাদাত আঙ্গুলি নাড়ন,,
সজোরে বারন,,,,,করিলে।।।

পূর্বের পথ অনুসরন,,
ভালোবাসার মরন,,,,,হইল।।।


দেবদাস অনুকরন,,
দুঃখ আহরন,,
হৃদয় ক্ষরণ,,,,,হইল।।।

এই রূপে আমার,,,
প্রেম প্রতিসরন,,
ভালোলাগার প্রতিফলন,,
ভালোবাসার জারন-বিজারন,,,,,যুগপৎ সংঘটিত হইল না।।।

তাই,,,অদ্য
প্রেম-রচনা,,,সদ্য,.,মাধ্যম,,,পদ্য।।।।।।

জবান-বন্দি

জবান-বন্দি



                       ---কিয়ৎ কিঙ্কর

জবান দেয় চিৎকার,
ধ্বংস আসুক মিথ্যার,,

গর্জে উঠুক সত্য,,
অদৃশ্য হোক দুর্বৃত্ত।।

জবানের কলরব
হোক কল্যানময় সব।।
অত্যাচার হোক বন্ধ,,
মিটে যাক সব দন্দ।।
গর্জে উঠুক সত্য,,
কলুষমুক্ত হোক মানব-চিত্ত।।।

জবানের স্লোগান
দুষ্কৃতির পরিত্রাণ।।
বিশ্বে শান্তি বিরাজ করুক,,
পাপ ধুকে ধুকে মরুক।।।
গর্জে উঠুক সত্য,,
নিশ্চিহ্ন হোক অন্ধকার-কামী ভৃত্য।।

এ জবানের বিপরীতে
কালো-জবান আঁটে ফন্দি।।
কপটতা আার ছলচাতুরিতে,,
জবান হয় গৃহ-বন্দি।।।

জনতা থাকে না থেমে,
আসে রাস্তায় নেমে,,,
চায় জবানের স্বাধীনতা।।
চায় মিথ্যার নীরবতা।।।

কালো জবান কটু কথা হানে,,
বার বার ক্ষত করে, সংঘাতের বানে।।
তবুও টুটে না জনতা-বাধ,,
ক্ষুব্ধ জনতা চায় মুক্তি স্বাধ।।

অবশেষে,,,,
জবান জনতার উদ্দেশ্যে জবান-বন্দি দেয়।।
জনতার যত প্রশ্ন সব উত্তরে রূপ নেয়।।
ঝাপায় পড়ে ক্ষুব্ধ জনতা,নিজ বাহুবলে,,
পরিণতিতে,,মুক্তির আলো জ্বলে।।।

জবান মুক্তির স্বাদ নেয়।।।
কাল-পরিক্রমায়, জনতার জবান তারই জবান-বন্দি দেয়।।।।

(বি:দ্র: এখানে জবান=সংগ্রামী Leader প্রকৃতির মানুষ
কালো জবান=সব খারাপ গুন-সম্পন্ন মানুষ এবং জনতা=সাধারন মানু)

Monday, 16 July 2018

কল্পিত "তুমি"

কল্পিত "তুমি"

                 ---কিয়ৎ কিঙ্কর


তুমি মেঘের দিনের বজ্রপাত,হঠাৎ চমকে আসো।।
তুমি সদ্য-উদিত সবুজ শস্য,মৃদু-রোদ ভালোবাসো।।

তুৃমি শীতের দিনে ভোরের কুয়াশা, শীতল ধোয়ার শান্তি।।
তুমি জারুল-তলের মিষ্টি ছাঁয়া, উধাও করো ক্লান্তি।।

তুমি নদে-নিঙরানো নির্মল বায়ু, প্রশান্তি ভরা শ্বাস।।
তুমি মহান স্রষ্টার অপরূপ সৃষ্টি, মরুতে সবুজের বাস।।

তুমি গ্রীষ্মের দিনে গেরুয়া গোধূলী, রাঙাও ঐ দীগন্ত।।
তুমি অভাগার মুখে প্রাণ-খোলা হাসি, সুখের আদ্যোপান্ত।।।

তুমি গাড় সবুজের মাঝে, হলদে সবুজ সজ্জা।।
তুমি, গৃহ-বধূর সামান্যতেই ঘোমটা টানার লজ্জা।।।

তুমি ১ পশলা বৃষ্টিতে সৃষ্ট রংধনু, দুর্লভে পাওয়া অম্বর।।
তুমি ইমামের স্পষ্ট ভাসনের পবিত্র আসন, মিম্বর।।।

তুমি ক্ষরার দিনে উর্বর জমি, ১ টুকরো ভরসা।।
তুমি প্রখর গ্রীষ্মের চাতক চাহিদা, হঠাৎ সৃষ্ট বরষা।।।

তুমি কল্পনার সবটুকু নির্যাস, দৃষ্টি-ভঙ্গির বিন্যাস।।
অতুলনীয় তুমি তো তুমিই,,হৃদয়ে থাকো ১২ মাস।।।

Sunday, 15 July 2018

স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই

স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই

                             ----কিয়ৎ কিঙ্কর


স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই, হাকায় আমি ভাই।।
লাশের উপরে লাশ পড়ে গাজা উপত্যাকায়।।।

সংগ্রাম করেছি, প্রতিবাদ করেছি, ঘর ছেড়েছি শেষে।।
থাকতে ভূমি, আছি পরদেশে শরনার্থী বেশে।।।


স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই হাকায় আমি ভাই।।
জন্মভূমির মায়া ছেড়েছি ৭০বছর প্রায়।।।
শহীদ হচ্ছি অকাতরে মাতৃভূমির লোভে।।
নিয়ত চলছে গণহত্যা ক্ষোভে-বিক্ষোভে।।।


স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই হাকায় আমি ভাই।।
লক্ষ্য-কোটি মিডিয়ার ভিড়ে, সত্য-প্রকাশক নাই???
নিষ্পাপ সব দুধের শিশু পুরছে, মরছে হায়।।
ওরা তো কেবল হামাগুড়ি দেয়, ওদের কিসের দায়???


স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই হাকায় আমি ভাই।।
বিশ্ব-মানবতা কি অনড় আছে, কিছু নির্দিষ্ট জায়গায়??
মুক্তি চাওয়া কি অন্যায়, শান্তি চাওয়া কি পাপ??
তবে কেন ঝলসায় ফিলিস্তিনি, বাড়ে শাসকের উত্তাপ।।।


স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই হাকায় আমি ভাই।।
তুলি হাতিয়ার গড়ি সংঘাত মুক্তি-অপেক্ষায়।।।
ইসরাইলি শিবির গরম, সমর সজ্জা নিয়ে।।
জন্মভূমি ফেরত যাবো, জান-কুরবানি দিয়ে।।।


স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই হাকায় আমি ভাই।।
হুইল চেয়ারে ন্যায্য দাবীতে, লড়ায় করে যায়।।।
এখন বিস্ফোরকের শব্দে আমি স্বাধীনতার গন্ধ পায়।।
মনে বিশ্বাস, মরনের আগে পাবো কাঙ্খিত রায়।।।


স্বাধীনতা নাই, স্বাধীনতা চাই হাকায় আমি এক ফিলিস্তিনি, ভাই।।
ইসরাইলি গণহত্যার বিচার নাহি চায়।।।
শুধু স্বাধীনতা-টুকু হাতরায়।।
মুক্তি আসুক ফিলিস্তিনিদের, দীর্ঘ এ যুদ্ধ-যাত্রায়।।।

(বি.দ্র.:::এখানে "আমি" হলো ফিলিস্তিনির স্বাধীনতার প্রতীক ""বীর যুবক ফাদি আবু সালাহ"")

Friday, 18 May 2018

সুখ সন্ন্যাসী

সুখ সন্ন্যাসী

                                   ----কিয়ৎ কিঙ্কর

আত্ম-উন্নয়ন সাধনে, হই বাধন হারা,,,
আত্মার উন্নয়নে, হই আমি আপন-ছাড়া,,
যখন আমার দোষে দুষ্ট আপন-হৃদ-বাসী।।
আপন-সংশোধন বাসনায় হবো সন্ন্যাসী।।

ধরি সংযম,,ছাড়ি ক্রোধ
আসে আত্মিক-বোধ।।।
একাকিত্বকে করি সাথী,,হারায় আমি আমোদ,,
সবুর শেষে জাদু হবে ভেবে, বানায় প্রমোদ।।।

স্বপ্নে হয় কথা এক রাতে, এক মহারথীর সাথে,,,
বলে,,,
এ কেমন এঁটেছো ফন্দি,,
করে নিজেরে গৃহ-আবন্দী।।
সংশোধনের সহস্র পথ থাকতেও,,
কেন হয়েছো সুখের প্রতিদ্বন্দ্বী।।।

আপনজন ত্যাগিয়ে কীভাবে পাবে আত্মার সুখ,,
আত্মিক শান্তি কীভাবে পাবে যদি না দেখ আপনজন মুখ,,।।।

তোমার দোষে যারা দুষে নাহ,,আপনজন নয় তারা,,
ক্রধে সংযম একাকিত্বে আসে নাহ,,শত্রু-মিত্র ছাড়া।।

প্রিয়জন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জাদু দেখাবে কাকে?
দিনশেষে রবে একা তুমি, অশ্রু-চাদরে জড়িয়ে দুষবে নিজেকে।।
শোনো,,মানুষের মতো মানুষ মাত্রেই মহারথি,,
ছাড়ো তোমার ক্ষীন অনুভূতি।।।

হঠাৎ জেগে,আমারে বলে,আমার আত্তা,,
একাকীত্ব ছেড়ে চলো বনায় এক ভালোবাসাময় সত্মা।।।
চলো করি আত্ম-উন্নয়ন,,
হই, সন্ন্যাসী ক্রোধে,,
ভালোবাসা হোক হাতিয়ার,,
শত্রু মিত্র ভেদে।।

চলো আপনাকে গুনযুক্ত করি
আপনজন সহযোগিতায়,,
চলো নিজেকে পাপ মুক্ত করি
স্বজন প্রীতির মহিমায়।।।

চলো ক্ষমা শিখি,,,,
চায়, দোষে সবিনয়ে মাফ।।
চলো সদা সত্য বলি,,
রসূলরে ভালোবেসে ছাড়ি হাঁফ।

চলো হই,, বদ থেকে সন্ন্যাসী,,
হই চলো আপন জনের হৃদবাসী।
চলো আনি শান্তি আর সবার মুখে হাসি।
স্পষ্ট করি সব বিভ্রান্তি আার হই মিথ্যা থেকে সন্ন্যাসী।।

সবাইকে ভালেবেসে,,
সবার ভালোবাসায়,,,
চলুক ভালোবাসা-বাসি
হই চলো সুখী সন্ন্যাসী।।

তুই

তুই        .....কিয়ৎ কিঙ্কর তুই মানসচিত্রে জন্মানো আবেগ, পুষ্পিত ডালিয়া, বর্ণ হয়ে যায় সুরলৌলিক, গন্ধে লুটিস হিয়া। তুই মন ক্...