স্বাবেগ চক্র
...... কিয়ৎ কিঙ্কর
গভীর আবেগে অবগাহন না করা অবদি,
আমার কলম চলে না।
কলমের সুপ্তকাল আমি বুঝেছি আঠাসের ঘরে উঠে,
নিজের বৈশিষ্ট্যই অজানা মোড়কে রেখেছিলাম নিজের অজান্তে।
আজ তার কিছু কিছু অকস্মাৎ চোখে পড়ে,
অনুভূতির শিকড় গভীরে পৌঁছলে এমন অদেখাগুলো স্পষ্ট হয় বুঝলাম।।
আবেগ গুলো চিন্তার ধারাকে বেগবান করে,,
মনের উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রস্তুতি চলে।
হাজার বাস্তব বিপদ সংকেত তখন অকার্যকর হয়ে ওঠে, নিউরন আন্দলিত হয় সাগরের শৈবালের মতো,
হরমোনাল আলোড়নে।।
মগজের এক কোন সময় অপচয়ের হিসাব কষতে থাকে, অবশেষে হিসেব সম্পূর্ণ হয়-
অপচয়ের ইচ্ছাকে প্রলম্বিত করে,
মগজের কাজ বাড়িয়ে,
শব্দ খুঁজে,
বাক্য বুনে,
কলমের আঁচড়ে আবেগের সমাধি রচনা করে।
তবে কি শেষ হল অলীক আবেগের জীবনকাল?
নাকি হয়ে গেল স্মৃতি রয়ে গেল পাতায়!!
এ এক চিরন্তন ধাঁধা আমার কাছে,
অনেক আবেগেরই কবর রচনা করেছি,
তবে ভিন্ন রূপে তার সূচনাও দেখেছি।
সব আবেগের বহিঃপ্রকাশ এক রকমের না,,
কিছু মৌলিক, আচরণ ও অবয়বের স্পষ্ট হয়।
আর কিছু আছে সাধিত।
তবে সবাই অনন্য হয় বিচিত্র মানুষের সান্নিধ্যে।।
এক অসাধারণ চক্রে পড়ে আজও লিখছি,
গভীর আবেগে অবগাহন না করা অবদি,
আমার কলম চলে না।