Thursday, 15 August 2019

বাসন্তী-বিলাপ

বাসন্তী-বিলাপ
                  .......কিয়ৎ কিঙ্কর

বাসন্তীর বিরাগে সেদিন অনুরাগ ছিল।
কারন সে হেমন্তের ডাকে এসেছিল।।
অথচ, হেমন্ত নিরুদ্দেশ।।

হেমন্তের রাখা শেষচিহ্নও তখন শীতের প্রকোপে নিশ্চিহ্ন।। 

বাসন্তী, বিষাদ অনলে অবগাহন করে,,
রূপ নেয় অগ্নি-দেবীর।।
শীতকে বিনাশ করে সে,,তার প্রচণ্ড দাব-দাহে,,
শীতের সবরেশ,নিঃশেষ করে গ্রীষ্মে।।

হেমন্ত-স্মৃতি তাকে ব্যাকু্ল করে,,
স্মৃতিগুলো বর্ষারূপে ক্ষণে ক্ষণে ধরনীতে আছড়ে পড়ে।।

দেখা হয়, শরৎ-এর সাথে,,
বাসন্তী-বেদনা ভুলায় সে হেমন্ত আশায়।
শরৎ সেদিন দেখেছিল বাসন্তীর মনে হেমন্ত-প্রেম,,
কী অপরূপ সৌন্দর্য আর হেমন্তের জন্য অনুরাগ।।

শরৎ, বাসন্তীকে হেমন্তের কাছে নিয়ে যায়।।

ঠক !!!                      ঠক!!!                       ঠক!!!

হেমন্ত : আরে শরৎ তুই,,ইনি কে??

বাসন্তীর বিরাগে সেদিনও অনুরাগ ছিল,,নিস্তব্ধতার রূপে।।।

Thursday, 18 July 2019

হবো তুমিময়

হবো তুমিময়

                   ..............কিয়ৎ কিঙ্কর

তোমার চোখের জল-সাগরে,,,
ডুবে যাবো স্বেচ্ছায়।।
নয়নজুড়ে হাবুডুবু খাাবো,,,
উঠবো না নিজ ইচ্ছায়।।

তোমার কালো চুলের ঘন মায়ায়,,
হারিয়ে যাব সত্যি।।
বেনী-জুড়ে বিচরন করব,,
জ্বালাবো না এক রত্তি।।

শান্ত মুখের কমলতায়,,
পাগল হব আমি।।
দুষ্টু-মিষ্টি সময় ভেলায়,,
ভাসাবো বাদরামি।।

তোমার কথার মধুরতায়,,,
জাগব সারারাত।।
মধুর ঘোর কাটবে নাকো,,
ডাক দিলেও প্রভাত।।

তোমার হাতের কোমল ছোঁয়ায়,,
শতাব্দী ছুঁবো একদিন।।
দিন গড়াবে তোমার খেঁয়ায়,,
হবে নাকো কাল-রিন।।

তোমার হাসির মায়ায় পড়ে,,
আহত হবার ইচ্ছে।।
ভালোলাগার ভেলায় চড়ে,,
ভালোবাসা ডাক দিচ্ছে।।।

দেবী-বহুরূপী

দেবী-বহুরূপী

                          ..........কিয়ৎ কিঙ্কর

আমি মূর্তী-পূজারী নই,,
তবুও দেবী সাক্ষাৎ পেয়েছি।। 
আমি গানটা তেমন চর্চা করিনি,,
তবুও তার জন্য ভক্তিগীতি গেয়েছি।।

কখনও সে হিংস্র,, সর্ব-গ্রাসী শিখা,,
কখনও সে কল্যানী,,কখনও দিক রেখা।।

কখনও সে পাথর-কঠিন,,নির্দয়-পাষান,,
কখনও সে মসলিন মলিন,,মমতায় ঘেরা স্থান।।

কখনও সে উত্তপ্ত,,সূর্যকে হার মানায়,,
কখনও সে শীতল,,শান্তির বার্তা জানায়।।

কখনও সে হৃদয়-হীনা,,রসহীন এক প্রাণ,,
কখনও সে এতই ভালোবাসে,, মুহূর্তেই ভরে জান।।

কখনও সে অবুঝ,,মানে না কোনো কথা,,
কখনও সে এতই বুঝে,,সয়ে নেয় সব ব্যথা।।

কখনও সে মনোযোগী হয়ে,, বিপদে হাতটা ধরে,,
কখনও সে সহযোগী হয়ে,,স্বপ্ন-পূরন করে।।

আমি অতি সাধারণ,, 
দেবী মহিমা বুঝি নাই,,
দেবী অতি মহান,,
তাই,,ভুলগুলোর মাফ চাই।।

আমি এতই ভাগ্যবান যে,,
মানুষে পেয়েছি রূপকথার সেই রূপ।। 
তার দর্শনে এতই পুলকিত হই যে,,
বাচাল হয়েও হয়ে থাকি চুপ।।

শত শত গুণধারী,, এই আমার দেবী।।
আমি গুণ-সঞ্চারী,,এক ক্ষুদ্র কবি।।

Monday, 3 June 2019

ভাবনায় আমি

ভাবনায় আমি
           ----কিয়ৎ কিঙ্কর

আমি রিক্ত তবুও শক্ত,,
সাহসীরা মোর ভক্ত।।
আমি নীরব, তবু তপ্ত,,
আমাতে দুশমন অভিশপ্ত।। 

আমি বিভীষিকায় করা উল্লাস,,
আমি দুঃখ-জয়ী হাসি,, 
আমি অত্যাচারীর সর্বনাশ,,
আমি শান্তির অভিবাসী।। 

আমি লাভা,, আমি হুতাশন,, 
আমি অন্যায়-বিরুদ্ধ শাসন।। 
আমি ঐশি আলো, মিথ্যায় ভয়,,
আমার আত্মগোপনে নাই সংশয়।। 

আমি যুদ্ধে করা জয়োধ্বনি,, 
নীরবতার আওয়াজ।।
আমি মুক্তি-নিষাণ, ছোঁড়া বহ্নি,,
স্বাধীনতার রেওয়াজ।।

আমি মানবতায় বেষ্টিত সাহস,,
সৎ চিত্তের দাস।।
আমি খারাপির চোখে সব দোষ,, 
সুখ-শান্তির অবকাশ।। 

Saturday, 25 May 2019

((১ প্রণয়-উপাখ্যানের পরিণতি))

১ প্রণয়-উপাখ্যানের পরিণতি
                              ... .. .. কিয়ৎ কিঙ্কর

কঠিন হবো, অনঢ় হবো,,
জ্যোৎস্না হয়ে আছড়ে পড়ো। 
হালকা বরষায়, ভিজতে গেলে,,
আমার কথা স্মরন করো।।
উঠলে ঝড়,  ভয় করো না,,
আছি দাঁড়িয়ে, আঁকড়ে ধরো।।

কমল হলে, নরম হলে,,
আঁকড়ে ধরতে ভয় যে পেতে।।
সাদা-মাটা হয়ে মানাতে গেলে,,
রং চাহিদায় চলে যেতে।। 
সরলভাবে ভালোবাসতে গেলে,,
জটিল মায়ায় থাকতে মেতে।।

এই শোনো,,ভুলেও,,
স্মৃতি-চারনের চেষ্টা করো না,,
নিজের প্রতি ঘেন্না হবে,,,
অপরাধবোধে পুড়বে তুমি,,, 
সকাল-সন্ধ্যা আমায় চাবে,,
ঘোর কাটতেই, শোর করবে,,
হারানো হাতের স্মৃতি ধরবে।।।।

তোমার ইচ্ছা বেঁচে থাকুক,,,
আমার ইচ্ছার বলি করে।।
সময় তোমাকে ভালো রাখুক,,
ঘুরবো তোমার গোলি ধরে।। 
থাকো তুমি আড়াল শহর,,
থাকো তুমি স্বজন-সুখে।।
রাখবো তোমার স্মৃতির বহর,,
থাকবো আমি হাসি মুখে।।।

প্রিয়তমা,,
বিজ্ঞ হও,,সফল হও,,,অজ্ঞ থেকেই সুখে রও।।।।

Thursday, 7 March 2019

......তুৃমি.......

......তুৃমি.....
                     ...........কিয়ৎ কিঙ্কর

তুৃমি তো শান্তনা দাও না,,
তবু কেন তোমায় দেখে শান্তি পায়।।
তুৃমি তো খোজ-খবর নাও না,,
তবুও কেন তুমিহীন পূর্ণতা নাই।।

তুমি তো ডাক্তার নও,,
তবু কেন অসুখ হলে তোমার পানে চাই।।
তুমি তো, আমার সম্পর্কে অপরিচিত-ই হও,,
তবুও কেন সব ছেড়ে তোমা-আদর হাতরাই।।

জানি তুৃমি, সব সমস্যার সমাধান দিতে পারবে না,,
তবুও কি আশায় বলি তোমার কাছে।।
কি এক সুখ পাই ভেবে তুৃমি ছাড়বে না,,
সমস্যা ভাগাভাগিতেও যেন দরদ আছে।।

তু্মি তো অপ্সরী নও,,
কী রূপ আছে তোমার মাঝে।।
তুমি তো নিশ্চুপ রও,,
কী তৃপ্তি পায় তোমা-অবলকনে সকাল সাঝে।।।

তুই

তুই        .....কিয়ৎ কিঙ্কর তুই মানসচিত্রে জন্মানো আবেগ, পুষ্পিত ডালিয়া, বর্ণ হয়ে যায় সুরলৌলিক, গন্ধে লুটিস হিয়া। তুই মন ক্...