জীবন মরুর হাদিয়া
.......... কিয়ৎ কিঙ্কর
আচমকা ঘুম ভেঙে গেল,
বিস্তীর্ণ মরুর পথে চলার পণ করলাম।
বিস্তীর্ণ মরুর পথে চলার পণ করলাম।
ঘুম ঘোরে জানলাম,,
যৌবন শেষে তৃণভূমি ছাড়ার চেয়ে,
এখনই মরু জীবন আপন করা শ্রেয়।
তাতে কষ্ট হলেও কষ্টের তীব্রতা কমে যায়,,
অপ্রিয় হলেও মন প্রিয়-কাতর হয় না।
যৌবন শেষে তৃণভূমি ছাড়ার চেয়ে,
এখনই মরু জীবন আপন করা শ্রেয়।
তাতে কষ্ট হলেও কষ্টের তীব্রতা কমে যায়,,
অপ্রিয় হলেও মন প্রিয়-কাতর হয় না।
জীবন-মরু শাশ্বত,
স্বজনতরু সর্বদা পাশে থাকে না,,
এমনি মাথার উপরে বটের ছায়া,
সদা-আগলানো মায়ের মায়া,
চিরঞ্জীব নয়।
স্বজনতরু সর্বদা পাশে থাকে না,,
এমনি মাথার উপরে বটের ছায়া,
সদা-আগলানো মায়ের মায়া,
চিরঞ্জীব নয়।
সময়ের আঘাতে জন্মানো স্রোত,
করে হরিৎ দ্বীপের ক্ষয়।
আবার নব পলির মতো আশা জমাট বাঁধে,
আশার মৃত্যু হয় আক্ষেপের কোলে।
করে হরিৎ দ্বীপের ক্ষয়।
আবার নব পলির মতো আশা জমাট বাঁধে,
আশার মৃত্যু হয় আক্ষেপের কোলে।
মোটা দাগে সময়ের হাত ধরেই,
হতাশার হামাগুড়ি শুরু হয়,,
বয়স বাড়ে আশার চিতায় ঘি দিয়ে,
হু হু করে হতাশা মস্তিষ্কে জায়গা করে নেয়।
হতাশার হামাগুড়ি শুরু হয়,,
বয়স বাড়ে আশার চিতায় ঘি দিয়ে,
হু হু করে হতাশা মস্তিষ্কে জায়গা করে নেয়।
ঠিক তখনি সব আলো অন্ধকার হয়ে ধরা দেয়,
পৃথিবীর ব্যস্ততা শুরু হয় তোমাকে একলা করতে,
এই ক্রিয়া এতটাই দুনিয়াবি যে,
তোমার একটু অভিযোগের সুযোগও রাখে না।
পৃথিবীর ব্যস্ততা শুরু হয় তোমাকে একলা করতে,
এই ক্রিয়া এতটাই দুনিয়াবি যে,
তোমার একটু অভিযোগের সুযোগও রাখে না।
অনিচ্ছা সত্ত্বেও যখন একা হলাম, আশেপাশে সবাই থেকেও,,
তখন বুঝেছি জগৎ তার নিয়ম কারো জন্য ভাঙ্গে না,,
মানুষকেই হতে হয় চরম মানানসই,
তাই, সহজে ঝরে যাওয়ার ভয়েই,
বিস্তীর্ণ মরুর পথে চলতে শুরু করলাম।
তখন বুঝেছি জগৎ তার নিয়ম কারো জন্য ভাঙ্গে না,,
মানুষকেই হতে হয় চরম মানানসই,
তাই, সহজে ঝরে যাওয়ার ভয়েই,
বিস্তীর্ণ মরুর পথে চলতে শুরু করলাম।
যদিও তা কঠিন, তবুও আমাকে আমাতে ব্যস্ত রাখে,
অন্যের হাতের পুতুল করে না।
অন্যের হাতের পুতুল করে না।
এই পথই আমাকে হাদিয়া দেয়--
যৌবন-মরুকে জয়ের সুখ,,
তীব্রতর কষ্টে মুখে রাখা হাসি,
যৌবন-মরুকে জয়ের সুখ,,
তীব্রতর কষ্টে মুখে রাখা হাসি,
আর প্রিয়-কাতরতা ছাড়াই কিছু প্রিয়জন।।
No comments:
Post a Comment